গাইবান্ধায় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
স্টাফ রিপোর্টার;
রাজনৈতিক দল, গণসংগঠন, সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ব্যক্তিবর্গ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চক্রান্ত রুখে দেয়ার আহবানে সকল হত্যাকান্ডের বিচার, গণমাধ্যাম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপর উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর হামলার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয়া হয়।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় গানাসাস মার্কেটের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক বাসদ মার্কসবাদী নেতা কাজী আবু রাহেন শফিউল্লার সভাপতিত্বে ও সিপিবি নেতা ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড মিহির ঘোষ, বাসদ জেলা কমিটির সদস্য সচিব সুকুমার মোদক, নারী মুক্তি কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরমের আহবায়ক ইশরাত জাহান লিপি, যুব ইউনিয়ন জেলা সাধারণ সম্পাদক রানু সরকার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান বসুনিয়া, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি ওয়ারেছ সরকার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জেলা সভাপতি রাহেলা সিদ্দিকা ও রবিদাস ফোরামের জেলা সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাসদ মার্কসবাদী জেলা আহবায়ক আহসানুল হাবীব সাঈদ, বাসদ জেলা আহবায়ক গোলাম রব্বানী, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মুরাদ জামান রব্বানী।
বক্তারা বলেন, যখন নির্বাচন আসন্ন তখন দেশের বৃহৎ গণমাধ্যম প্রথম আলো, ডেইলি স্টার আক্রান্ত, সুস্থধারার সাংস্কৃতিক চর্চার বৃহৎ সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট, উদীচী আক্রান্ত। একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে এ হামলা করেছে। সরকার প্রশাসন নির্বিকার দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
এর থেকে এটাই প্রমাণ করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী সরকারের সাথে যোগসাজশে নির্বাচন বানচাল ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চক্রান্ত করছে। তারা এ চক্রান্ত রুখে দেয়ার জন্য দেশবাসীর নিকট আহবান জানান। সেই সাথে ময়মনসিংহের ভালুকায় সংখ্যালঘু যুবককে নৃশংসভাবে পুড়িয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবি করেন।
সেইসাথে দেশে সংঘঠিত সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে ১নং রেল গেইটে এসে শেষ হয়।

